বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
সংগৃহীত ছবি ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে জ্বালানি তেল পরিবহনকারী জাহাজগুলোকে তারা ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারস-এর মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ইরান এখন শুধু হামলার জবাবে পাল্টা আঘাত নয়, বরং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলার কৌশল গ্রহণ করবে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র, জায়নিস্ট (ইসরায়েল) এবং তাদের সহযোগীদের কাছে এক লিটার তেলও পৌঁছাতে দেব না। তাদের উদ্দেশে যাত্রা করা যেকোনো জাহাজ বা ট্যাংকার আমাদের কাছে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।’
জোলফাকারি আরও সতর্ক করে বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির করে তোলার ফলে এখন তেলের বাজারেও বড় ধাক্কা আসতে পারে। তার ভাষায়, ‘তেলের দাম ২০০ ডলার প্রতি ব্যারেলে পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত থাকুন। কারণ তেলের দাম নির্ভর করে আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর-আর সেই নিরাপত্তা আপনারাই অস্থিতিশীল করে তুলেছেন।’
এর আগে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। বুধবার (১১ মার্চ) ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকে হামলার পর ইরানের সামরিক বাহিনী হুমকি দিয়ে বলেছে, ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এবার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করবে ইরান। খবর বিবিসির।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া যৌথ কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফিকারি বলেন, ‘ইরান এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক এবং ব্যাংকিং স্বার্থে হামলা চালাবে।’ তিনি বলেছেন, ‘ব্যর্থ অভিযানের পর সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাবাহিনী এবং নিষ্ঠুর ইহুদিবাদী ইসরায়েল ইরানের একটি ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করেছে।’
সুত্র:চ্যানেল ২৪